মাহে রমজানের শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল কদর তালাশ করতে হবে

ডেইলি সিগনেচার : বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি এসানুল হক জিলানী বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজানে এমন একটি রাত্রি রয়েছে যে রাত্রিকে লাইলাতুল কদর বলা হয়। লাইলাতুল কদরের ব্যাপারে রাসূলে কারীম সা. ইরশাদ করেন, “হে সাহাবীরা তোমরা রমজানুল মোবারকের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ কর। আজ (৩০ এপ্রিল) শুক্রবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মসজিদের জুমার বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি জিলানী বলেন, লাইলাতুল কদর এমন একটা দামী রাত্রি যার ফযিলতের ব্যাপারে কোরআনুল কারীমে আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন, “লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম” অর্থাৎ লাইলাতুল কদরে ইবাদত করা হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও বেশি ফযিলত রাখে। বোখারী ও মুসলিম শরীফের হাদীসে এই রাত্রির ফযিলত বর্ণনা করা হয়েছে রাসূলে কারীম সা. ইরশাদ করেন “যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে আল্লাহর উপরে বিশ্বাস রেখে সাওয়াবের আশায় ইবাদত করে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়”।

তিনি বলেন, এজন্যেই প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর এই রাত্রিতে এবাদত-বন্দেগি করা, জিকির আসকার করা ও কোরআনুল কারিমের তেলাওয়াত করা উচিত। সাথে সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা তওবা করা। হাদীস শরীফে এসেছে” হযরত আয়েশা রাদি. রাসূলে কারীম সা.-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ! যদি আমি বুঝতে পারি কোন রাত শবে কদর, তাহলে ওই রাতে আমি কি বলবো? অর্থাৎ আল্লাহর কাছে কি চাইব?

তিনি আরো বলেন, রাসূল সা. বললেন তুমি বলবে হে আল্লাহ তুমি বড়ই ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো। তাই আমাকে মেহেরবানী করে ক্ষমা করে দাও”। এই রাতে রাসূলে কারীম (সা.) ক্ষমা চাওয়ার দেয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমাদের উচিত বেশি বেশি করে ইবাদত-বন্দেগী করা ও অধিক পরিমাণে তওবা ইস্তেগফার করা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদরের ফযিলত নসিব করুন আমীন!